বিশেষ আর্টিক্যাল

গুগল ক্রোম রক্ষা করতে পরামর্শগুলি অনুসরণ করুন ।

আমরা সবাই কম বেশি গুগল ক্রোম ব্যবহার করি।তাই গুগল ক্রোম রক্ষা করতে পরামর্শগুলি অনুসরণ করুন-
Chrome Web Store – Simple Startup Password// // //
এই লিঙ্ক  অনুসরণ করুন store
এখান থেকে যেকোনো ফ্লাগিন আপনার গুগল ক্রোম  ইনস্টল  করুন
এবার আপনি নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহার করুন
আজ আর বেশি লিখলাম না . পরে কথা হবে >>

Screenshot of Chrome Privacy Proector

হাইব্রিড হার্ডডিস্ক :: প্রযুক্তির নতুন এক চমক

আজ আপনাদের একটি দারুন প্রযুক্তি খবর দিব। হাইব্রিড ফল, সবজি, গাড়ী, এমনকি হাইব্রিড Tanvir এর নাম ও আপনারা শুনে থাকবেন। কিন্তু এই হাইব্রিড হার্ড-ডিস্ক এর নাম শুনেছেন বলে আমার মনে হয় না। যদি সত্যি না শুনে থাকেন, তাহলে জলদি এদিকে আসেন। কারন আপনাকে আমি আজকে সেই হাইব্রিড হার্ড ডিস্ক এর গল্প বলতে যাচ্ছি।





বাজারে SSD (Solid State Drive) সহজলভ্য হতে না হতেই এই HHD এর আগমন। আমি এখানে এসএসডি সম্পর্কে হালকা একটা ধারনা দেই। ১৯৭০ সালের দিকে এই এসএসডি এর আবির্ভাব। কিন্তু কম ধারনক্ষমতার বিপরীতে উচ্চমূল্য একে আমাদের নাগালের বাহিরেই রেখে দেয়। ২০০৫ সালের দিকে এসএসডি গিগাবাইট এর ঘরে প্রবেশ করে। কিন্তু কিছুতেই এর দাম কমানো যাচ্ছে না। কারন এতে ফ্ল্যাশ মেমরি ব্যাবহার করা হয় যার মূল্য বেশি। তবে এটা ঠিক যে এসএসডি আসলেই একটা জিনিস। সোজা কথায় বস। কিন্তু হাইব্রিড হার্ডডিস্ক এর আগমনের ফলে সেটা মনে হয় অতীত হবার পথে।



আপনি প্রশ্ন করতে পারেন যে এর নাম আসলে হাইব্রিড দেয়া কেন হল, আর এর বৈশিষ্ট কি????? আমি বলছি আপনাকে, আসলে আগেকার মেকানিক্যাল হার্ডডিস্ক ও আধুনিক এসএসডি এর সমন্বয়ে এই নতুন ধারার হাইব্রিড হার্ডডিস্ক তৈরি করা হয়েছে। আমি আগেই বলেছি এসএসডি এর উচ্চগতির দামের কারনে আজকে এত দিনেও এটি আমাদের কাছে সহজলভ্য নয়। এই দামের মাঝে সমন্বয় করার জন্যই নতুন এই হার্ডডিস্ক এর আগমন। সুবিধা সব এসএসডি এর মত, কিন্তু দাম হাতের মাঝেই। দারুন ব্যাপার না? তবে অনেকে আবার প্রস্ন করতে পারেন যে পুরানো মেকানিক্যাল হার্ডডিস্ক যে এখানে ব্যাবহার করা হয়েছে এতে পুরানো সমস্যাগুলো তো থেকেই যাবে। হা হা হা……………………।। এত চিন্তা করেন কেন? এখানে পুরানো মেকানিক্যাল ড্রাইভে কে অপশোনাল হিসাবে ব্যাবহার করা হয়েছে।









হাইব্রিড হার্ডডিস্ক এ এসএসডি কে প্রাইমারি, ও আগের মেকানিক্যাল কে সেকেন্ডারি হিসাবে ব্যাবহার করা হয়েছে। আসুন দেখি পুরানো মেকানিক্যাল ড্রাইভ থেকে এটি কি কি সুবিধা বেশি দেয়।
৫৪০০ আরপিএম এর একটি হার্ডডিস্ক ডাটা রিড করে ৮০মেগা/সেকেন্ড, আর একটি হাইব্রিড হার্ডডিস্ক ৭০০মেগা/সেকেন্ড ডাটা রিড আর ৮০০মেগা/সেকেন্ড ডাটা রাইট করে।

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
অবিশ্বাস্য গতি, তাই না…………………।






এর ফলে লাভ টা কি দেখি, এই দ্রুতগতিতে ডাটা রিড করার কারনে যে কোন আপ্লিকেশন দ্রুতগতিতে লোড হবে। আপনার মেশিন যতই উচ্চখমতাসম্পন্ন হোক না কেন, হার্ডডিস্ক যদি দ্রুত ডাটা আদান প্রদান করতে না পারে, তাহলে আপনার কম্পিউটার এর আপ্লিকেশন দ্রুতগতিতে চলবে না। ফলাফল হচ্ছে সুপার স্পিড ইনপুট কমান্ড >>> সুপার স্লো আউটপুট। ( যদি এর গতি নিচের ছবির মত হয় )




অথচ হাইব্রিড এর রিড ৭০০মেগা, রাইট ৮০০ মেগা সেকেন্ডে। দেখুন তাহলে।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে মেকানিক্যাল এর বুট টাইম ৪০ সেকেন্ড যেখানে হাইব্রিড এর ২০ সেকেন্ড মাত্র। আর মাল্টিটাস্ক এর ক্ষেত্রে মেকানিক্যাল ৫০ সেকেন্ড সময় নেয় যেখানে হাইব্রিড নিচ্ছে মাত্র ১০ সেকেন্ড। আর গেমিং এর সময় হাইব্রিড ৪০ সেকেন্ড সময় নেয় যেখানে মেকানিক্যাল ৭০ সেকেন্ড নেয়। বুঝুন তাহলে।








এবার আসুন হাইব্রিড হার্ডডিস্ক এর ডাটা জমা রাখার সিস্টেম সম্পর্কে একটু জানি। এই অংশটি একটু জটিল। প্রথমেই বলেছি যে এর দুইটি অংশ। যখন কোন ডাটা মেমরিতে সেভ হবার নির্দেশ আসে তখন এটি এসএসডি অংশে সেভ হতে থাকে। যখন এসএসডি সম্পূর্ণ ভরাট হয়ে যায়, তখন সেটা মেকানিক্যাল এ সেভ হয় ও এসএসডি এর জায়গা খালি করে। এর ফলে শুধু দরকারি মুহূর্তেই এর মেকানিক্যাল ডিস্ক ব্যাবহার হয় যা এর আয়ু বৃদ্ধি করে ও বিদ্যুৎ কম খরচ করে। এটি মাত্র ২ ভোল্ট এ চলে। অর্থাৎ এটি ভয়াবহ রকম বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে।




দাম সম্পর্কে না হয় নাই বললাম। কিন্তু এর মান যে অসাধারন টা নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারছেন। তবে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলি। হাইব্রিড হার্ডডিস্ক কেনার ক্ষেত্রে এর মেমরি টাইপ এর দিকে খেয়াল রাখবেন। দুই ধরনের ফ্ল্যাশ মেমরি ব্যাবহার করা হয় এখানে।

১. SLC
২. MLC


SLC সবচেয়ে ভালো। এটি MLC থেকে দ্রুতগতির ও বিদ্যুৎসাশ্রয়ী। আপনি যখন হাইব্রিড হার্ডডিস্ক কিনবেন তখন হার্ডডিস্ক এর গায়ে SKNHCG8U5MJ4 এই ধরনের একটি সিরিয়াল থাকবে। আপনি গুগল এ খুজে সহজেই এই সিরিয়াল থেকে এর মেমরি টাইপ বের করতে পারবেন।





নতুন প্রজন্মের এই হার্ডডিস্ক দিয়ে যে আমরা অতি শীঘ্রই প্রযুক্তির এই গতির খেলায় টার্বো যোগ করতে যাচ্ছি একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

উইন্ডোজ ৮ এর কোন কোন এডিশন সামনে আসতেছে!!! জানেন? না জানলে জেনে নিন।

আজ আপনাদেরকে একটি নতুন সংবাদ দিতে যাচ্ছি। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে খুবই ভাল আছেন। ভাল থাকুন ও ভাল রাখুন আপনার পাশের মানুষটিকে।
কয়েকদিন আগে রিলিহ হলো মাইক্রোসফট কর্পোরেশানের মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নতুন ভার্সন মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৮ কনজুমার প্রিভিউ ভার্সন ( বেটা ভার্সন)। অনেকেই এই নতুন অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে মোটামুটি ভাবে জানেন। এই অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে আমার লেখা কয়েকটি টিউটোরিয়াল আছে টিউনারপেজে। আপনারা সার্চ অপশানে সার্চ দিলেই পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে কিভাবে উইন্ডোজ ইন্সটল করবেন, পেনড্রাইভ থেকে কীভাবে ইন্সটল করবেন, আনইন্সটল করা, ডুয়েল বুটে উইন্ডোজ ৭ ও ৮ চালানো, ভার্চূয়াল ইন্সটলসহ আরও কয়েকটি।
এই নতুন অপারেটিং সিস্টেম বাজারে রিলিজ দেয়ার আগে মাইক্রোসফট প্রথমেই একটি ডেভেলপার প্রিভিউ ভার্সন বাজারে দেয়। যাতে এর ভিতরে থাকা সমস্যাগুলো ধরা যায়। তারপর সমস্যাগুলো ঠিক করে এর নতুন একটি বেটা ভার্সন “মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৮ কনজুমার প্রিভিউ ভার্সন” রিলিজ করে মাইক্রোসফট। এটি তো হল মাইক্রোসফট অপারেটিং সিস্টম উইন্ডোজ ৮ এর বেটা ভার্সন। এটা মূলতঃ উইন্ডোজ ৮ এর একটা প্রিভিউ ভার্সন। উইন্ডোজ ৮ এর মূল ভার্সন এখনও বাজারে রিলিজ করা হয় নি মাইক্রোসফট থেকে।
মাইক্রোসফট এখন তাদের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৮ এর মূল ভার্সন রিলিজ করার জন্য কাজ করছে। তারা এজন্য অন্যন্যা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের মতো উইন্ডোজ ৮ এরও কয়েকটি ভার্সন রিলিজ করবে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর। তবে শুনা যাচ্ছে এই বছরের শেষের দিকে আপনারা উইন্ডোজ ৮ এর ফুল ভার্সন হাতে পাবেন।
মাইক্রোসফট তাদের উইন্ডোজ ৮ এ যেসব ভার্সনগুলো সামনে রিলিজ করবে, তার তালিকা তারা প্রকাশ করেছে তাদের বর্তমান বেটা ভার্সন Windows 8 Consumer Preview version এ। আপনি এটা দেখতে পাবেন Windows Registry Editor এ। এজন্য প্রথমে Windows Registry Editor এ। এজন্য প্রথমে Windows Registry Editor এ প্রবেশ করুন।
—-> প্রথমে Window Key + R চাপুন।
—-> এবার লিখুন regedit ও এন্টার চাপুন।
—-> তাহলেই Windows Registry Editor চালু হবে।
—-> এবার এখানে যান HKEY_LOCAL_MACHINE\Software\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Component Based Servicing\PackageIndex\Product
—-> তাহলে নিচের মতো আসবে।

নতুন যে ভার্সনগুলো আসতেছে

  • Microsoft Windows Enterprise Edition
  • Microsoft Windows Enterprise Eval Edition
  • Microsoft Windows Home Basic Edition
  • Microsoft Windows Home Premium Edition
  • Microsoft Windows Prerelease ARM Edition
  • Microsoft Windows Prerelease Edition
  • Microsoft Windows Professional Plus Edition
  • Microsoft Windows Starter Edition
  • Microsoft Windows Ultimate Edition
আশা করি প্রত্যেকটি ভার্সনটি চমৎকার ও সুন্দর হবে।

আপনার বাড়তি ওজন কমানোর কিছু টিপস।

আজ আপনাদের জন্য আমার আগের পোষ্ঠ ওজন বাড়ানো বিপরীতে নিয়ে আসলাম বাড়তি ওজন কমানো কিছু টিপস। বাড়তি ওজন আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ওজন কমান প্রাকৃতিক নিয়মে। এ নিয়ম স্বাস্থ্যসম্মত ও ঝুঁকিবিহীন। কয়েকটি কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করে ওজন কমান আর ঝুঁকিমুক্ত থাকুন বিভিন্ন মারাত্মক রোগ থেকে।
তাজা ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি হলো কম ক্যালরিযুক্ত খাদ্য, তাই যাঁদের ওজন বেশি তাঁদের বেশি করে এগুলো খাওয়া উচিত।
* অতিরিক্ত লবণ খাওয়া পরিহার করতে হবে। কারণ, লবণ শরীরের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।

নিয়ে নিন ২০১২ সালের নতুন গেইম

গেম খেলতে পছন্দ করেন না এমন লোক খুজে পাওয়া দুষ্কর। সব পিসি ব্যবহারকারীই কমবেশি বিভিন্ন গেম খেলেন। কিন্তু এমন অনেকেই রয়েছেন যারা বলতে গেলে গেম এর জন্য ক্রেজি, বাংলায় বলতে গেলে গেমের পোকা। নিত্যনতুন-নতুন পুরাতন যে কোন গেম তাদের খেলা চাই চাই। কিন্তু সব গেম খেলোয়ারই জানেন গেম খেলার সময় টুকটাক চিটিং না করলে গেমে সামনে আগানো প্রায় অসম্ভব। তাই সবাই চিটকোড ব্যবহার করেন এই সব গেম খেলার জন্য।

আসুন জেনে নিয় কিছু প্রয়োজনীয় রান কমান্ড।

আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় প্রয়োজনীয় কিছু RUN কমান্ড।
আসুন পরিচয় করিয়ে দিয় আপনার এবং আপনার পিসির অনেক অজানা রান কমান্ড যা আপনাকে কাজ করায় সাহায্য করবে ।

Convert করুন প্রয়োজনীয় সব Audio বা Video File খুব সহজে।

আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম Super Fast একটি Converter। এই Converter-টির নাম হল Oxelon Media Converter। আপনারা অনেকেই হয়ত Converter-টির সাথে পরিচিত কিংবা এটি ব্যবহার করেছেন। এই Converter দিয়ে খুবই অল্প সময়ে আপনার প্রয়জনীয় Format এ Convert করতে পারবেন বিভিন্ন ধরনের Media File। আমি নিজেও Converter-টি ব্যবহারকরি। আপনারও ব্যবহার করে দেখুন ভাল লাগবে আশা করি। নিচে বিস্তারিত দেয়ার চেষ্টা করলাম।

নিয়ে নিন Firefox 12.0 Beta ।

আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম নতুন  Firefox 12.0 Beta।
Firefox এর সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত । তাই আর কিছু লিখলাম না। এখন এর latest Version-টি হল 
Firefox 12.0 Beta
এই Link থেকে Download করে নিন latest version-টি।

এছাড়াও কিছু প্রয়োজনীয় Software এর latest version Download করে নিন নিচের Link থেকে একদম free-তে
এই Website এ Software গুলো ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভাগ করা থাকে।
দরকারি Software-টি এখনই Download করে নিতে পারেন site-টি থেকে। আজ এই পর্যন্ত।
ভালো থাকবেন।

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ক্রিকেট ঝলক

ফেসবুক ব্যাজ

Top